পঙ্ক্তিমালা
ক
মধ্যদিনের ঘুম দুপুরে অলীক স্বপ্ন আসে—
তেপান্তরের পথে বসে পথিক কেন হাসে!
খ
সম্মোহনের চোরাগলি গুল্মলতায় ঢাকা
মনস্তাপের ক্ষণগুলি হয় মিলঅমিলে আঁকা
গ
আভিজাত্যের মান-মহলে দৃশ্য রকমারি
নদী কাঁদে,মনমাঝি আর গায় না জারি সারি
ঘ
দৈব লোকের ওপার থেকে আসে আশীষবাণী
তবু কেন কষ্টে কাঁদে ফুলমতি দেবযানী?
ঙ
পঙ্খীরাজে উড়ে কি আর আসবে হীরক রাজা?
হে জাতিস্মর, নির্দোষীরা পায় কেন হায় সাজা!
চ
প্রত্যাশিত স্বপ্ন কেন ছড়ায় না আর দ্যুতি
ক্রমাগত হচ্ছে বিলীন আশা- অনুভূতি
ছ
ভুল আসনে বসে কারা গায় বিভেদের গীতি
অস্থিরতায় যাচ্ছি ভুলে বোধের নিয়মনীতি
জ
মন বাড়িটার বিশ্বাসী দিন হয় না অনুগত
জলজ হৃদয় খরায় পোড়ে,বাড়ছে শুধুই ক্ষত
ঝ
মননপুরের শিল্প বিলাস দেয় না যে আর নাড়া
মিথ্যে মায়ার ঘোরে মেতেই হচ্ছি দিশেহারা।
আদর্শ পাঠ
আদর্শের হিমঘরে নেই মানবতার ডিসকাউন্ট,
প্রগতির পূর্বশর্তে নেই মনিটরিং কলাকৌশল,
শব্দজাল বুনে বুনে অস্থির গবেষক,
দিন কাল মাসের হিসেব ভুলে যায় ,
সঙ্গবিমুখ মানুষের দৌরাত্ম্য বাড়ে,
ইচ্ছারা বেপরোয়া হয়ে
সুতো ছেঁড়া ঘুড়ির মতো উড়ে যায়
অনেক –দূরে, অনেক অনেক দূরে —
সীমানাহীন নির্জনতার আড়ালে
অবাক বসে দেখে বিমূঢ় গবেষক।
অবৈতনিক সৃজন পদ্ধতি নিয়ে
তোলপাড় হওয়া কোন গৃহসভায়
মতানৈক্যের তুমুল দ্বন্দ্ব চলে,
দ্বিধার ব্যালকনিতে বসে
হতবাক পুরোহিত পড়ে
শেকড়ের আদর্শলিপি
” সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি
সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি “!
দুঃসময়
সঞ্চয়ী দিন যায় ফুরিয়ে চমকে ওঠে মন
মায়াবী তুই করবি কবে মগ্ন আলাপন?
চতুর্দিকে কেউটেগুলোর বিষাক্ত উচ্ছ্বাস
চলছে তবু এলোমেলো বসত বারোমাস
ইচ্ছে পাতায় স্বপ্ন এঁকে ক’দিন থাকা যায়?
গুচ্ছ ভয়ের আভাস নিয়ে পথে চলাই দায়
মন বিরহী ভাবনাতে নেই সুখের যোগাযোগ
জীবন জুড়ে বাড়ছে শুধুই পাঁচমিশালি রোগ।
বারোমাসি আশার ঘরে ঘনায় কালো মেঘ
সংশয়েতে সময় কাটে অন্তরে উদ্বেগ
কাব্যকলা শিল্প বিলাস পায় না খুঁজে দিক
রঙিন সুতোয় ভাগ্য গেঁথে চলি আকস্মিক
নকশা আঁকা জমিন পোড়ে খরায় দহন দিন
মায়াবী তোর মৌনী নুপূর বাজবে কি রিনঝিন?
হয়তো বা কেউ গাইবে না আর ঘুম পাড়ানি গান
বন পাখিদের কন্ঠে ঝরে করুণ অভিমান
বৃষ্টিবিহীন আষাঢ় শ্রাবণ, শুকনো হৃদয় পথ
কে পরাবে তোর নাকে হায় কদমফুলের নথ?
সঞ্চয়ে আর নেই তো কিছুই ভীষণ দুঃসময়
দৃষ্টিজুড়ে সব যেন আজ জ্বলন্ত বিস্ময় !!!
অন্তত একবার,,,
তোমার নিষিদ্ধ কথারা এখনো
মনপুরে বেজে চলে রিনঝিন
কোলাহল থামলেই সুনসান নীরবতা প্রহর,
পরিমেঘ ছায়া দেয় অস্তিত্বের আঙিনায়
প্রতি রাতে অলৌকিক আলোকরশ্মি
ছুঁয়ে দেয় দুটি চোখের পাতা
তোমার প্রার্থনা বেদিতে ভাসে নিষ্পাপ দৃশ্যাবলি
তুমি দেখো ভাইরাল হওয়া স্বপ্নের জাগরণ
আমি দেখি মৃত ইচ্ছের এপিটাফ
বস্তুতঃ বেদুইন চাঁদও কখনো
ওয়াদা খেলাপির খেলায় মেতে
জোছনাবধূকে রাখে হাতের মুঠোয়,
মনোহরা সংস্কারের নামে কেউ,
প্রতারণার জলছবি আঁকে
জ্যামিতিক নকশার ভাঁজে গুঁজে দেয় মন।
তৃষ্ণাতুর আবেগের ভেতর কী অবলীলায়
রক্তাক্ত হয় মানবিক দিন,,!
আমার চোখের পাতায় লাগে বিষণ্ন বাতাস,
দেখি, একাত্তর কিংবা বায়ান্ন আমাকে
আঘাত করে ফিরিয়ে নিয়ে যায় স্মৃতির
আঙিনায়, যেখানে দগ্ধ মাটিতে ঘুমোয়
বিধবা বধূ কিংবা সন্তানহারা বৃদ্ধ পিতামাতা
বাকরুদ্ধ হয়ে মনকে ভাসাই, হৃদয় পোস্টারে
আঁকি লাখো শহিদের ছবি।
যখন —
মনস্তাপ ছুঁয়ে থাকা কোন ধ্যানী সুশীল
পাপের কলামে লিখে আভ্যন্তরীণ গাল-গল্প
রাতারাতি হয়ে যায় সেলিব্রিটি গুণিজন
তখন আমার অন্তর ডিকাঁদে, কাঁদে লক্ষ
শহিদ জননী!!
আসলে —
কোনকিছুই নির্মোহ নয় —!!
জেনে রেখো —
ভাঙনের শব্দে মেতেই দাবাড়ু সময়
তোমার হাতে বাঁধে দায়িত্বজ্ঞানের মাদুলি,
তুমি দাসপ্রথার নৈকট্যে গিয়ে আর যা-ই করো
নিজেকে ডুবিয়ো না নোংরা জলে
অন্তত একবার,,
দেখে নিয়ো জাতিসত্তার ভেতরের প্রচ্ছদ।
স্বপ্ন কথা
একটুখানি মায়ার হাসি কান্না কি’বা দুঃখ সুখে
মানবজীবন একাত্মতায় কোন সে আশা লুকায় বুকে
সভ্যতা যায় কালের খেয়ায় খেয়াল খুশির চমক দিয়ে
বোকার মতো চলছি কেবল ভাঙাচোরা স্বপ্ন নিয়ে
সুখ সাগরের ঢেউয়ে ভাসে মান অভিমান বিষাদ যতো
কালনাগিনীর বিষাক্ত শ্বাস নিত্য তবু করছে ক্ষত
খুপরি ঘরে বর্ষা মাদল মৌসুমি দিন দেয় না আশা
দৃশ্য কাতর ভাবনা নিয়ে যাচ্ছে ভেসে মনের ভাষা।
ইচ্ছে পাতায় আঁকিবুঁকির সময় পোড়ে খামখেয়ালি।
বিশ্বায়নের নকশা দেখেই তৃপ্ত ভীষণ মুগ্ধ মালি
পরাণ বনে কুটুম পাখির কলস্বর আর যায়না শোনা
গুচ্ছগাথার ভাব অভিলাষ হয় পুরনো সুতোয় বোনা।
দেশজুড়ে হায় জবরদখল নিত্য নতুন ফন্দি চলে
তপস্বিনীর খড়ের ভিটে যায় যে ভেসে বানের জলে
স্বচ্ছতা নেই, নেই কো নীতি সবকিছুতেই জটিলতা
লোভের আগুন নিত্য পোড়ায় সোনায়মোড়া স্বপ্নকথা।
ক্রান্তির শেকলে
ধানসিঁড়ি দিগন্ত ছুঁয়ে ছুটে যায় কোন
বিরহী পর্যটক
দু-হাত বাঁধা তার ভ্রান্তির শিকলে,
মল্লার ধ্বনি শুনে কেউ বা থমকে দাঁড়ায়,
ফসলি জমিনের ভিত খুঁড়ে লেখা হয়
জবরদখলের নোংরা ইতিহাস।
কৌলিন্যের হিতৈষীতা নিয়ে
আবেগের সিন্ডিকেট বসে,
ক্রমাগত বেড়ে চলে লোভী মানুষের
দুর্নীতির আহাজারি
ধ্রুপদী সময় বিপর্যস্ত হয়
শাসনতন্ত্রে যোগ হয় নতুন নীতিমালা।
কাব্যবিলাস
ঝুমপাহাড়ি বৃষ্টিধারায় ঘোরের ভেতর থাকি
অনন্তকাল মান অভিমান মনে ঢেকে রাখি
বৃন্দাবনে কৃষ্ণ বিলাস উপত্যকায় আলো
ভেজা চুলের রাজকুমারীর মনটা কে সাজালো?
বিশ্ব দোলে মাতাল ছোঁয়ায় ক্যানভাসে জলছবি
ঘুমবাতাসে একলা বসে পদ্য লেখেন কবি।
কবির হৃদয় পাঁচমিশালি রঙ মেখে হয় সারা
বুকের ভেতর খামখেয়ালি বয় যে বাদল ধারা
কল্প রানির আবেশ মেখে যায় ভেসে দূর টানে
কবির নিপুন কাব্য সুধা মুগ্ধতা দেয় প্রাণে।
ইদানিং
ঋদ্ধতার বুননে সমৃদ্ধ হয়না
মেধা বাড়ির আঙিনা,
প্রকৌশলী প্রজ্ঞায় জং ধরেছে।
তোমার ভিতরে তুমি
আমার ভিতরে আমি
পেছনে তাকানোর কেউ কি আছে?
সমতলের মানুষগুলো শ্রবণ বধির,
আয়ত্ত্ব করে না সাম্যবাদের রীতিনীতি,
নিরীক্ষক পাখির মতো শুষে নেয় আবেশের নির্যাস।
দৈনন্দিন কার্যলিপিতে কতোকিছুর সমন্বয় হয়
বাতাস বয়ে আনে ফুলেল দিনের খবর,
তাতেও যেন নিষ্প্রাণ হয়ে থাকে মধ্য বিলাসী পাঠঘর।
সমবেদনার সমাবেশ নেই,
আভিজাত্যের সুরে হাসে না শাপলাবিকেল
জলপদ্মের পুঁথি লেখে না
কবিয়াল কিংবা বাঁশরি বালক।
মানব জীবন
– ধরো, তোমার ইচ্ছেগুলো যাচ্ছে ভেসে অনেকদূর
ইচ্ছেরা কি দেবারতির খবর শুনে হয় বিধূর?
মান অভিমান কোলাজ করে ওরাও বুঝি কষ্ট পায়?
দেব-বিলাসী বিষাদ নিয়ে কেউ বা দুখে মুখ লুকায়!
কোথায় থাকে মনদেবতা কোন দেউলে বসত তার
ভুলতিথিতে আসন পেতে কাকে সে দেয় চন্দ্রহার?
এক দেউলে সবার আসন হয় না তো আর সাম্যতায়
আজ্ঞালিপি হাতে নিয়ে কেউ চলে যায় অচিনগাঁয় ।
কারো হৃদয় দূর্বিপাকেই গুচ্ছশোকের বাড়ায় ঋণ
আলোক ধারায় উর্বরা হয় হয়তো কারো মন জমিন
ইচ্ছে যখন মুগ্ধ কথার ভাবনাতে হয় নিবিড় খুব
সেই সুযোগেই গভীর জলে কেউ সুখে দেয় দিব্যি ডুব
ধূপছায়া দিন দুলকি চালে চলছে ছুটে দ্বন্দ্বাতীত
মানবতার সাজঘরে আর হয় না গাওয়া সুখের গীত
সময় এখন বেশ ঘোলাটে মানবজীবন অসাড় আজ
মননজুড়ে তাই সকলের ইচ্ছে পোড়া বৈরী সাজ
দিন যতো যায় নীরবতায় হচ্ছে কঠিন নিগূঢ় ভাব
জৌলুসী মন গৃহকাতর, সমন্বয়েও হয় না লাভ।
শব্দের প্রতিধ্বনি
ফুল বাতাসে দোদুল দোলে আগুন আগুন মন
কারো সাথে হয় না তো আর মিষ্টি আলাপন
দুঃসময়ের সঙ্গী হয়ে চলছি কঠিন পথ
কেউ জানি না থামবে কখন কার মায়াবী রথ
বুকের ভেতর বৈরী বিলাপ মন-সখিরা কই?
আসন পেতে আশায় থাকে পালকি-বধূ ওই
নীল চাঁদোয়া আকাশজুড়ে বহ্নি বিলাস ঢেউ
বন বনানীর নীরব কাঁদন হায় শোনে না কেউ
পলাশ শিমুল অশোক ফোটে হাতছানি দেয় সুখ
মৌরি বনের ফুল বালিকা, তাঁর কেন ভার মুখ?
বিশ্বায়নের মন্ত্র পড়ে গাইছে কারা গীত?
দূর্বিপাকে যাচ্ছে ভেঙে ছয়টি ঋতুর ভিত
অসাবধানে যাচ্ছে বেড়ে বর্গীরাজের জোর
কেউ পারে না ছিঁড়তে আহা শক্ত বাঁধন-ডোর,
বুকের ভেতর বাজে তবু শ্যাম বাঁশরি সুর
আত্মকথন নিয়ে ঘুরি অচীন উদাসপুর
মনদরদী! সে-ও ভুলে যায় নিবিড় সুখের টান
নকশি জমিন ব্যথায় বুনে কেউ একা গায় গান
দিন বয়ে যায় ঠিক —
পাঁচমিশালি ভাবনাগাথাও ভাঙে আকস্মিক
নিবেদনের আলোকচ্ছটায় ভরে হৃদয় ঘর
কাল মহাযুগ এমনি ঘুরি বংশ পরম্পর
দিগঙ্গনার নৃত্যে পরান আকুল যখন হয়
বুকের ভেতর সম্মোহনের ঐশী বাতাস বয়
বুনোফুলের মালা গেঁথে ডাকে স্বপনরাজ
অনুভূতি কোলাজ করেই বাড়াই মনের সাজ
মধ্য জীবন পোড়ে
মধ্য জীবন সম্মোহনে পোড়ে
ইচ্ছে হারায় ক্লান্ত নদীর জলে
চিরন্তনী সাধ বাসনাগুলো
জাগায় না আর মায়াবী কৌশলে
চিরচেনা দিনগুলি যায় চলে
শব্দসেবী সঙ্গীরা হয় স্মৃতি
দৃশ্যবিহীন অতীত জাগায় সাড়া
বুকে বাজে মন বাঁশরির প্রীতি
নীলাঞ্জনা নীলমোহিনী মেঘে
কাব্যকলা হয়না সুরভিত
তোষামোদির নকশা বুনন করে
কেউ হয়ে যায় ভীষণ সম্মানিত
নিরুদ্দেশী একলা পথিক বোঝে
কেমন করে দুঃখ বিষাদ আসে
ঘোরের মাঝেই কুহক আশায় মেতে
কেউ কখনো একটু ভালোবাসে
সমন্বিত কষ্ট ব্যথা নিয়ে
ভুলের খেলায় কেউ বা মেতে থাকে
ছন্দহারা মধ্য জীবন পথে
কেউ বিষাদের প্রতিচ্ছবি আঁকে।
শাহানারা ঝরনা। ছেলেবেলা থেকেই লেখালেখির হাতেখড়ি হয় শিশুতোষ লেখার মাধ্যমে মা বাবা এবং বড় ভাইদের অনুপ্রেরণায়। প্রথম লেখা ছাপা হয় হেমায়েতপুর পাবনা থেকে প্রকাশিত পত্রিকা ‘সন্দীপনায় ‘। পরবর্তীতে বিভিন্ন জাতীয় পত্র পত্রিকার শিশুকিশোর বিভাগগুলিতে খুব নিয়মিত লেখা প্রকাশ হতে থাকে। উল্লেখযোগ্য, প্রথম আলোর, গোল্লাছুট, ইত্তেফাকের কচিকাঁচার আসর, সমকালের ঘাসফড়িং, যায়যায়দিনের হাট্টিমাটিম টিম, জনকণ্ঠের ঝিলিমিলি, বাংলাদেশ প্রতিদিনের ডাংগুলি , দৈনিক সংবাদের খেলাঘর , ভোরের কাগজের ইষ্টিকুটুম আমাদের সময়ের ঘটাংঘট সহ টইটম্বুর, নবারুণ, ধানশালিকের দেশ, সবুজপাতা, এবং এছাড়াও দেশ বিদেশের শিশুতোষ অনেক পত্রিকা সহ বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকায়।
আনন,সমধারা,বীক্ষণ, চরৈবতি, উত্তরাধিকার, উত্তরায়ণ, কানামাছি, ঝুমঝুমি, শিশু, আলোর পাতা, টুপটাপ, জাগরণী, সহ অসংখ্য ম্যাগাজিনে নিয়মিত লেখা প্রকাশ হয়ে থাকে। প্রকাশিত বই : কিশোরকবিতা – জল পড়ে পাতা নড়ে , ছন্দে ফোটে ফুল; শিশুতোষ গল্প – পরির দেশ, শাঁকচুন্নির গল্প; কাব্যগ্রন্থ, স্বপ্নের গাংচিল, তিনকন্যা, অনুভব, ছুঁয়ে যাই তোমার মন, হাতটা বাড়িয়ে দাও, বাঁশিকাব্য, ইত্যাদি।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।