ভালোবাসার খোলা চিঠি
ভালোলাগার রঙ বদলাতে থাক আর নাহে থাক
প্রেমালাপ উষ্ণ যৌবন, প্রিয়-প্রিয়তমা, খোলা চিঠি
অনুনয় আসে বারংবার, তারপর – সময়, বদলে
বরং শ্রাবণ-বর্ষা, দু’জনে সাক্ষাৎ আষাঢ় সময়।
অটল প্রেমের বাঁধন, দু’জনে নেয় নিঃশ্বাস-বিশ্বাস
বৃষ্টি’র বিলাসী উন্মাদ নৃত্য, নতুন জোয়ানে ভাসে-
অন্তরে শ্রেষ্ঠ ভালোবাসা;খোলা চিঠি যৌবন আসে।
যখন তোমার জন্মদিন
যখন তোমার জন্মদিন আঁধার লুকিয়ে –
সূর্যের আভা ভেসে ওঠে পূবের আকাশে
তখন ভালোবাসার ফুল ফোঁটানো উদ্যান
ধুমকেতু স্পর্শ টোল পড়ে প্রকৃতি সৌন্দর্য।
সেদিন বোশেখ শুক্লপক্ষের জ্যোৎস্না হাসি –
আকাশে ধবল মেঘ তোমার প্রেমগীত
গদ্য-কবিতা’ পঙ্ক্তি তোমার রসায়ন মাখা
সুর সংগীত বেঁজে ওঠে তোমার বাঁশরি।
তোমার গদ্য-কবিতা’য় মাখানো যৌবন –
নৈশপ্রহরী পাহারায় সাহিত্যের তাজা ফুল
তুমি বিদ্রোহী, সব্যসাচী,সাম্যবাদী নজরুল,
আমি অজ্ঞ এতটুকু জানি-তুমি তো বুলবুল।
তোমারে খুঁজি বারংবার
তোমারে খুঁজি বারংবার –
গল্প,প্রবন্ধ, রচনাবলি,গদ্য-কবিতা
খুঁজি তোমাকে গ্রন্থের তলপেটে ;
তোমার সাহিত্যে ‘ধূমকেতু’ দাপটে।
তোমারে খুঁজি মহাবিশ্বের আকাশে
ধবল মেঘ, চাকচিক্য সূর্যের রশ্মি
তখন উজ্জ্বল আলোর মিছিলে ;
তখন তুমি সেখানেই ছিলে।
উজ্জ্বল তুমি চিরচেনা সৌরবিদ্যুৎ।
সাহিত্যের বাতিঘর হাসে
বোশেখ অরণ্য বিকেলে ;
হে বিশ্বকবি তোমার জন্মদিন
লাবণ্যময় প্রকৃতির ধরণীতলে।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।