গভীর কোন গল্প
আলো নিভে যাবে জেনেও সেখানে চোখ পেতে রেখেছিলাম
কলঙ্ক ও শুভ্রতার মধ্যবর্তী শুধুমাত্র যে আড়ালটুকু ছিল
সেখানেও খুঁজেছি আমার কবিতার রসদ
আমি ভীষণ রকমের ভালোবাসা দিয়ে বদলে দিতে চেয়েছি প্রপাতের শব্দ, ঢেউয়ের কলতান, প্রেমিকের বিলাপ… নিরন্নের মালিন্য… মৃত্যুর রং…
ঠিক আমার প্রথম কবিতা লেখার মতই – অথবা
মধ্যরাতে দেখা কোন স্বপ্নের মতই
ভুল অনুবাদে, ভুল অনুভবে কিছু উষ্ণ আবেগ হয়ে যায় ভালোবাসা
আমার জীবনের দীর্ঘ দেয়াল যেন – লেপ্টে থাকা কোন মৃত প্রজাপতির মায়াজালে বন্দী
অতঃপর আমার প্রথম প্রেমের সেই নরম রাত্রি
একদিন আমার স্বপ্নে এসেছিল কিছু উষ্ণ মুহূর্ত ফিরিয়ে দিতে
ঠিক স্বচ্ছল কোন প্রেমিক যুগলের মত…
তাই প্রতিবারই আমার বুকের এই পলিমাটিতে
জন্ম নেয় এক রুপান্তরিত স্বপ্নের বীজ,
আমার মৃত অধরে ফোটে নীলপদ্ম
অবনত দুঃখগুলো শিরোনাম হয় দীর্ণ দর্পনের মত-
এই নীল রোদনের আহ্বান, এই নিরেট ব্যথার উন্মত্ত উড়াল, ঐ আলো ও ছায়ার মধ্যবর্তী হ্রস্বতার ভেতর দিয়ে প্রস্তুত হচ্ছে এক রক্তঝর্ণা গহবর…এইসব দিনরাত্রির উপাখ্যান শেষে –
আমার অসমাপ্ত উপন্যাসের পাতা উল্টে দেখি
অপেক্ষার জনপদে থাকা শব্দের কালো অক্ষরগুলো সব স্বপ্নপটে আঁকা এক একটি লাল চোখ…
আর আমি সে চোখের সরল গভীর কোন গল্প !
ছায়াপথে একদিন
একদিন ছায়াপথে আমাদের দেখা হবে
সেদিন আমার অঞ্জলি পূর্ণ হবে শুধু তোমার অর্ঘ্য সাজিয়ে
আমার আকাঙ্ক্ষার নিবৃত্তি হবে সকল অপার্থিব বস্তু দিয়ে
তোমার ভালোবাসার স্নিগ্ধ বাতাস আমায় ঘিরে থাকবে
আমার দূর -দিগন্ত, আপন-পর,এপার-ওপার সব এক হয়ে যাবে
আমার দ্বিধা, দন্দ্ব,লজ্জা,ভয় সব পালকের মতো ঝরে যাবে
শুধু আমাদের কালজয়ী প্রেম ধ্রুবতারার মত
আমায় পথের দিশা দেবে।
কেননা
“প্রেম” একটা আলো…
এবং তা জ্যোতির্ময়…
একদিন মৃত্যুই আমাদের একে অপরের খুব কাছে টেনে আনবে।
হাহাকার ভরা অন্তর্জগতের ব্যথাতুর আত্মায় জমা হবে সমবেত শোক।
সেদিন তোমার হাতে হাত রেখে আমি উষ্ণতা নেব
জন্ম-মৃত্যু ও বিরহের সকল চক্র পেরিয়ে
একদিন ছায়াপথে আমরা মিলবো
সেদিন শীতের হাওয়ায় রবেনা কোন আকরিক ধুলো
আমাদের সময় থমকে রবে অনন্তের কাছে
পৃথিবী তেমনি রবে- কোমল , সবুজ…
শুধু আমাদের জীবনের আস্বাদ আকস্মাৎই বদলে যাবে
অতীতে নয়, ভবিষ্যতেও নয়, আমরা চলবো দুজনে শুধু দ্বিধাহীন…চাঁদের দিকে,পূর্নিমার রাতে।
একদিন ছায়াপথে আমাদের দেখা হবেই…!
প্রেম- পুঁজা ও পার্থনা
আমাদের সকল অস্তিত্ব ও সুখ এত পরনির্ভরশীল কেন?
আমাদের অন্তর ও আত্মা এতটা উষ্ণতানির্ভর কেন?
আমরা হাসি, সুর তুলি, কথা বলি- এই যে শব্দে-শব্দে, বর্ণে-বর্ণে আত্মার তলায় এসে একত্ব হই!
এই যে ঝরাফুল আর তাজা ঘাসের শিশিরে মথে দৌড়ে যাই- কুহেলিকাময় জীবনের পথে…
এই যে সৌন্দর্য আর আর্টের আবেদনে নিজেদের প্রলুন্ধ করি!
এর সবটাই শীতের হাওয়ার এক আকরিক ধুলো…!
আসলে
আমরা নিজেকে হারিয়ে তবেই অন্যকিছূ পাই
প্রেম- পুঁজা ও পার্থনা ছাড়া যেমন ঈশ্বরবোধ প্রগাঢ হয়না –
তেমনি তৃষ্ণা, দহন আর ত্যাগ ছাড়া সত্যিকারের প্রেমসত্ত্বা পরিপূর্ণ হয়না-
জানো কি?
দুঃখ ও দহনেরও একটি অলৌকিক তৃপ্তি আছে,
যা আমার আত্মাকে উষ্ণ করে রেখেছে –
আদরের সম্পূর্ণ মর্মরে…।
যে উষ্ণতা ছুঁয়েই আমি বুঝতে পারি-
ঠিক কতটা হারিয়েছি আমি নিজেকে…!
নিকষিত হেম
এইসব ভালোবাসায় মোহ ও মায়া নিয়ে আসে উত্তুরে হাওয়া, দক্ষিণের রোদ — আসে নিরাসক্ত অনুভবের উত্তাপ…।
এইসব নিবিড় প্রেম চোখের পাতায় ভরে দেয় হাজার বছরের প্রতীক্ষা—কামনার ঘ্রাণ, ত্রিভুজ সন্ধ্যার মাদকতা, নৈশ অনুভব ও নিকষিত হেম—
এইখানে কত বিপন্নতার গল্প লুকিয়ে আছে, ঘুমিয়ে আছে বিলীয়মান জীবনের কত বিষাদ স্বর, শুধু সঞ্জীবিত আছে পৌঢ়ত্বের বাকিটুকু…
সবটুকুই কেবল তার স্বর্গজাত সৌন্দর্য, অনুভূত আত্মপ্রাসাদের প্রশান্তি, সুগন্ধি স্বপ্নের রাতের মত—
এইসব খেলাঘরে সব প্রেম ধ্রুপদী হোক, সব চোখ ধ্রুব হোক—
ধ্রুব রাতের গন্ধ এসে ছুঁয়ে দিক প্রাপক তর্জনী,
ছুঁয়ে দিক অযৌন প্রেমের গভীরতা…
জাতক
মায়া জিনিসটাই একান্ত নিজস্ব এক গোপন উৎসব, এক গোপন বোধ…
মাঝেমাঝে তাই কিছু অবলীন ইচ্ছে প্রবেশ করে আমার ত্বকে — অধিশ্বরী কুমারীর মত,
তখন আমি ভুলে যাই সুদীর্ঘ বেদনার কথা, ভুলে যাই দীর্ঘতম অপেক্ষার কথা —
কেননা—লিবারেল সুখ আর লিটারেল দুঃখ দুটোই যেন এক ভিন্ন জাতক…
রাতের বুকে যেমন নিশ্চিন্তে ঘুমায় চাঁদ, ঘুমায় নিঃশব্দ জনপদ, মসৃণ আঁধারে মিলায় ছায়াদের কোলাহল, তেমনি বিরহের স্নান সেরে আমার বুকে ঘুমায় আমার মৃন্ময়ী পৃথিবী।
সকল তৃষ্ণা নিয়ে একটু একটু করে নির্ভার হই আমি, আত্মার চিৎকারে, নিভৃত মরনে, আনন্দ ও বিষাদের অববাহিকায় ,নিরহংকার বিসর্জনে পুনরুজ্জীবিত হয় আমার মৃত্যুহীন জীবনের কবিতারা —
পরমাত্মলোকে
আমাকে যেতে হবে সময়ের অভিমুখে—
ছিন্ন পৃথিবীর নাভিমূলে, প্রগাঢ় আধারের অন্তঃপুরে
শরীরের প্রতি লোমকূপ থেকে তাড়িত বেগ
প্রবাহিত হয়ে আমায় নিয়ে যাচ্ছে এক ধবল নগরীর দ্বারে,
নিস্তব্ধ – নিঃশব্দ – নির্বাক –এক সময়ের মিছিলে আমাকে যেতেই হবে
প্রলয়ের সুর আমার প্রতি রক্তকণিকায়
কত যুগ ধরে আমি তার প্রতীক্ষায় অধীর ছিলাম
আমার স্ফীত সিনানের মাঝে সুপ্ত যে মৃত্যুর বীজ তার নির্যাস পান করে হৃদয় আমার অনূঢ়া আজ,আরক্ত।
যেন সহস্র যুগ আগের কোন বিস্মৃত একটি স্বপ্ন আজ আমায় মুখরতা দিয়েছে– প্রান দিয়েছে – জীবনের গান গাইবার
আমার বুকের ভেতর নিবিড় প্রচ্ছন্ন বিংশ শতাব্দীর ক্লিষ্ঠ অতীত
আমি যখন কানপাতি হাওয়ায় – সহস্র অব্দ্রের
হাহাকার ভেসে আসে কানে
আমি অস্তিত্ব থেকে বের হবার চেষ্টা করি-আর অতীত এসে পথ আগলে ধরে
তবু আমায় যেতে হবে বিলাসের সমুদ্র ভেঙ্গে, ভোগের লালসা ভুলে, সম্পদের বিষ্ফোরিত দৃষ্টি মুদে
আমায় তাকাতে হবে ঈশ্বরের অন্তরে নির্বানের তৃষ্ণা নিয়ে।
আমার চেতনায় ঈশ্বরের প্রেমের কুড়ি প্রস্ফুটিত প্রায় –
অনন্তের অভিমুখে লালায়িত আত্মা
প্রাপ্তি- অপ্রাপ্তির স্মৃতি ভুলে আমাকে যেতেই অনিবার্নের পথ ধরে —জন্ম ও মৃত্যুর অমরত্ব মিশ্রিত ধ্রুপদী সত্যের অন্বেষণে— পরমাত্মলোকে
যৌথ শব্দের খেলাঘরে
এই অভিমান -অভিমান খেলা হয়তো একদিন শেষ হবে !
বুকের এইখানে— যে আলোর পিয়ালায় জ্বলছে অন্ধ চোখ, বোবা ভাষা— সে ভূমিষ্ট হতে চায় !
অভিনব প্রেম অথবা বিপুল প্রেমের মাহাত্ম্য সবকিছুই যেন বিধ্বংসী পথের ধুলোয় অপসৃয়মানতার খেলা..
আমাদের হাসি-কান্নার নিরর্থক গল্পগুলিও একসময় মলিন হয়ে যায়।ম্লান হয় জীবনানন্দময় স্বপ্নও…
ম্লান হয় মস্তিষ্কে অনুরণন জাগানো সাতকাহন, শেষের কবিতা অথবা অপরাজিতার মত কালজয়ী সৃষ্টিও
তবুও আমার ছন্নছাড়া এ সৃষ্টিশীল জীবনের পুরোটাই ফেলে রেখেছি আমি সেইসব যৌথ শব্দের খেলাঘরে।
আমার ফলিত শরীর বা কুসুমগন্ধী মন যা-ই বল না কেন সবটাই যেন শব্দের এক অবিরাম পথ…
মাঝে মাঝে চোখ এত— কথা বলে কেন…?
তবে কি চোখের মধ্যেও লুকিয়ে আছে অবিনশ্বরতা ?
লুকিয়ে আছে সহস্র মুহূর্তের আলোড়ন…?
মায়ার ফড়িং
প্রিয়ের স্বচ্ছ শরীরে ঘুমিয়ে গেছে -আমার সব অন্ধকার…
আমার করতলে আজ প্রজনন হয় – নীল পদ্মের,
আগুনপাখিরা উড়ে এসে বসে- আমার পাঁজরের ডালে,
প্রাণের প্রাসাদে রোজ এসে ডানা মেলে- উত্তুরে হাওয়া
…………………
ক্রমসঃ শীত এসে ছোঁয় –
আমার উত্তপ্ত ললাট…
আর,
আমি একটু একটু করে সংকুচিত হতে থাকি
আমার ইহলৌকিক আত্মার দেয়ালে…
আমাদের দেহের সকল রক্ত মিছিল করে উজানে চলে গেছে। উড়ে গেছে মৌসুমী ফুলের মত সব সুঘ্রাণ স্বপ্ন, আমাদের খুসীরা সব ছাড়িয়ে গেছে শত আলোকবর্ষ। ফেলে আসা প্রৌঢ় পৃথিবীর পতিত জমিতে আজ আর শস্য ফলে না। তার নশ্বর ত্বকে জমে আছে কেবলই পলাতক সময়ের ক্ষত— রঙিন বিষাদ, মসলিন স্মৃতি ও বিমূর্ত বিলাপ।
মায়ার ফড়িং কত কাল তার ঘরে ফিরে না!
আমাদের সৌখিন দুঃখবাদে তবুও প্রলয়ের সুর—জন্মান্ধের উন্মাদনা —
কেন মুহূর্ত গুলি এভাবে আঁধারে মিলায়?
কেন বিত্তহীন সন্তপ্ত ক্ষুধা ও তৃষ্ণাগুলি ঝরে না নতুন বৃষ্টির মতন?
মৃতুর মোহন গন্ধ ও চৈতালী সুখ
এতদিন নৈঃশব্দের বুকে ঘুমিয়ে ছিলাম।
জেগে দেখি রোদেলা দুপুরে ক্ষয়ে গেছে আমার মায়ের দু চোখ, ধূসর হয়ে গেছে বাবার জায়নামাজ
এতদিন ব্যথাদের সংবিধান থেকে পালিয়ে ছিলাম
ফিরে এসে দেখি দক্ষিণের মুখোমুখি আমার চন্দ্রাহত রাত
জীবনের কোন সীমারেখায়-ই পালায়ন শব্দটার প্রশ্রয় নেই
প্রতিবারই তারা রঙিন ঘাসফুল হয়ে ফুটে ওঠে…
এতদিন উৎসবের কুমারী জোছনার বুকে প্রাচীন দুঃখ হয়ে আগলে ছিলাম, ফিরে দেখি রোদের আদর পেতে তমসাচ্ছন্ন ক্ষয়িষ্ণু রাত
যে আলো সন্ধ্যা জ্বেলেছে ধীরে তার রেকাবে বিন্যস্ত পশ্চিমের জরাগ্রস্থ রাগ
এতদিন বেহাগের পানপাত্রে মৌন ছিল ভৈরবী স্বপ্ন, নির্লিপ্ত সুর ও জন্মান্ধ প্রেমের অভিশাপ
ফিরে এসে দেখি
মৃত্যুর মোহন গন্ধে ঘুমিয়ে আছে আমার চৈতালী সুখ
এই আলোর মিনার, অধিশ্বরী রাত, বিবর্ন হাওয়া,
দু আঙুলে মাখা যত ব্যথার প্রলেপ—
প্রতি শুক্লপক্ষেই ওরা অর্বাচীন হয়ে আসে..
বিমূর্ত
হৃদয়ের সকল দহন-স্থলন-পতন শেষে
আমি অমৃতের সন্ধান পেয়ে গেছি
অতৃপ্ত হৃদয়ের কামনা- বাসনারা যখন হাতধরা ধরি করে আমায় ঘিরে রাখে
তখন সমস্ত প্রতিশ্রুতি, প্রতিজ্ঞা,স্বপ্ন-দুঃস্বপ্নের ওপারে আমি জীবনের লীলাখেলায় মত্ত হই
হদয় বেদনা,নিঃসঙ্গতার আর্তি,অসঙ্গলিপ্সা সবই অদৃশ্য এক উত্তাপে ভস্মে পরিনত করি।
পৃথিবীর সকল কষ্ট, যন্ত্রণা আমি বিমূর্ত করে রাখি
আমার মায়াদৃষ্টির পলকে…কিছু বিষণ্ণ ছায়ায়…!
আমি কোন সিম্বল বা মিথ নই
একজন সুখ -দুঃখ কাতর অপার সম্ভাবনাময় মানুষ,
আমার পদচিহ্নে অসীম ও অনন্তের বীজ…
দুঃখে বিধুর ও আনন্দে মধুর হয় আমার আত্মা –
আমার সকল অভিলাষ ও জীবনলিপ্সা —
মৃত্যুর সাথে শিল্প এসে যখনি আমার দুয়ারে দাঁড়ায়
আমি সমৃদ্ধ হই সে মৃত্যুর পারঙ্গমে,
জীবনের সাথে সঙ্গম হয় আমার কবিতার
আমি আবারও সন্ধান পাই অমৃতের…!
আজমেরিনা শাহানী। জন্ম ১৫ জানুয়ারী, যশোর জেলায়। ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন পারিবারিক প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করে লেখালিখির হাতেখড়ি।কবিতা, ছোট গল্প ও উপন্যাসের পাশাপাশি জাতীয় এবং অনলাইন পোর্টালগুলোতেও নিয়মিত লিখছেন তিনি। তার লেখা কাব্যগ্রন্থগুলি হচ্ছে -“স্বপ্নডানায় একমুঠো সুখ”, ” নিকোটিন মেঘ “, “অপার্থিব আলো”, ” বিমূর্ত নির্বান” ও “আনন্দলোক” এবং উপন্যাস-” আমৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা “।
এ ছাড়াও তার একাধিক যৌথ কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর সাবলীল লিখনে বরাবরই জীবনের নিগূঢ় তত্ত্বের রহস্য উন্মোচনের প্রয়াস পরিলক্ষিত হয়। গভীর জীবন বোধ -প্রেম -বিরহ-দ্রোহ ও দহনে সমৃদ্ধ তার সকল মৌলিক সৃষ্টি। তিনি ইডেন মহিলা কলেজ থেকে সমাজকর্মে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায়ও তার অবাধ বিচরন রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ বেতারের স্ক্রীপ্ট রাইটার এবং Voice Artist হিসেবে যুক্ত আছেন। তিনি Lux আনন্দধারা মিস বাংলাদেশ ফটোজেনিক এর খুলনা বিভাগের চুড়ান্ত পর্বে ১ম রানার্সআপ এর স্থান অর্জন করেছিলেন। আপন মেধা-মনন ও প্রজ্ঞাকে উপজীব্য করে সাহিত্যের হাত ধরে জীবনের নিগূঢ় তত্ত্বের রহস্য উন্মোচন করে যেতে চান তিনি আমৃত্যু। সত্য, সুন্দর ও ন্যায়ের পথপ্রদর্শক হয়ে মানুষের কল্যাণে আত্মোৎসর্গ করাই হলো তার জীবনের একমাত্র ব্রত।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।